Responsive Advertisement

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কী?



আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি শাখা যা মেশিন, বিশেষ করে কম্পিউটার সিস্টেম গুলোর মধ্যে মানুষের বুদ্ধিমত্তার ন্যায় ক্ষমতা তৈরি করার চেষ্টা করে। এর মধ্যে শেখার (মেশিন লার্নিং), যুক্তি (রিজনিং), সমস্যা সমাধান (প্রব্লেম সলভিং), ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং), এবং উপলব্ধি (পারসেপশন) অন্তর্ভুক্ত।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে কী কী কাজ করা যায়?

AI দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা রকম কাজ করা যায়। নিচে কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ দেয়া হলো:

1. স্বয়ংক্রিয়করণ (Automation):

    o রোবটিক্স: উৎপাদন, গুদামজাতকরণ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায় রোবট ব্যবহার।     o প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়করণ (RPA): পুনরাবৃত্তিমূলক প্রশাসনিক কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়করণ।

2. ডাটা অ্যানালিটিক্স এবং মেশিন লার্নিং:

    o প্রিডিক্টিভ অ্যানালিটিক্স: ভবিষ্যদ্বাণী এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বড় ডাটাসেট বিশ্লেষণ।     o ক্লাস্টারিং এবং শ্রেণীবিভাগ: ডাটা গ্রুপিং এবং শ্রেণীকরণ।

3. প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (NLP):

    o ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টস: অ্যামাজন অ্যালেক্সা, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, এবং অ্যাপল সিরি।     o চ্যাটবট: কাস্টমার সার্ভিস এবং সাপোর্টে স্বয়ংক্রিয় উত্তর প্রদান।

4. চিত্র ও ভিডিও প্রক্রিয়াকরণ:

    o ফেস রিকগনিশন: নিরাপত্তা এবং সনাক্তকরণে।     o অবজেক্ট ডিটেকশন: গাড়ির স্বায়ত্তশাসিত ড্রাইভিং।

5. স্বাস্থ্যসেবা:

    o চিকিৎসা ইমেজ বিশ্লেষণ: MRI, CT স্ক্যান ইত্যাদি থেকে রোগ সনাক্তকরণ।     o ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা: রোগীর ডাটার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা প্রস্তাবনা।

6. আর্থিক সেবা:

    o ফ্রড ডিটেকশন: লেনদেনের মধ্যে জালিয়াতি সনাক্তকরণ।     o অর্থনৈতিক পূর্বাভাস: শেয়ার বাজার এবং বিনিয়োগের পূর্বাভাস।

7. শিক্ষা:

    o এডাপ্টিভ লার্নিং: শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুসারে শিক্ষা কন্টেন্ট সামঞ্জস্য করা।     o স্বয়ংক্রিয় গ্রেডিং: পরীক্ষার পেপার এবং অ্যাসাইনমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্যায়ন।


8. বিনোদন:  

      o কনটেন্ট রেকমেন্ডেশন: নেটফ্লিক্স, ইউটিউব, এবং স্পটিফাই এর মত প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগতকৃত সুপারিশ।     o গেমিং: বুদ্ধিমান NPC (নন-প্লেয়ার ক্যারেক্টার) তৈরি।

9. পরিবহন:

    o স্বায়ত্তশাসিত গাড়ি: টেসলার মতো স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং প্রযুক্তি।     o ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট: শহুরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং অপটিমাইজেশন।

10. গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং সৃজনশীল কাজ:

    o ইমেজ জেনারেশন: GANs এর মাধ্যমে নতুন এবং সৃজনশীল ইমেজ তৈরি।     o ভিডিও এডিটিং: স্বয়ংক্রিয় ভিডিও কাটিং এবং প্রভাব প্রয়োগ।
A I এর ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলি ক্রমাগত বাড়ছে এবং এটি প্রযুক্তি, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বিনোদন, এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসছে।
Source : https://ai.invideo.io/workspace/9fbb016f-b325-431d-85dc-5f1bf1299d9f/v20-copilot/5a83f286-f82c-4db7-a7db-9c075583a138

#AI Tutorials, #computer #tutorials #tutorial #computerknowledge #computertutorial #computertutorialsmyanmar


Post a Comment

0 Comments